হংসেশ্বরী মন্দির

পাটুলির দত্তরায় পরিবারের আদিপুরুষ রাঘব দত্তরায় ১৬৫৬ খ্রীস্টাব্দে মুঘল সম্রাট শাহজাহানের কাছ থেকে তৎকালীন সাতগাঁও-এর (বর্তমান সপ্তগ্রাম) ২১ টি পরগণার জমিদারির জায়গীর লাভ করেন। এর কিছুকাল পরে তাঁর পুত্র রামেশ্বর রায় পাটুলির পিতৃপুরুষের ভিটে ছেড়ে পাকাপাকি ভাবে বংশবাটীতে চলে আসেন।
রামেশ্বর রায় বাঁশবেড়িয়ার জমিদার থাকাকালে গোটা বাংলা বর্গী (মারাঠা) আক্রমণে বিপর্যস্ত শ্মশানে পরিণত হয়। জনশ্রুতি আছে মারাঠা শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য রাজা রামেশ্বর একটি বাঁশবন পরিষ্কার করে এক মাইল জায়গা জুড়ে পরিখা বেষ্টিত এক দূর্গ বানিয়েছিলেন, যা থেকে এই অঞ্চলটির নাম হয় বাঁশবেড়িয়া।
রামেশ্বর রায় ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে বাঁশবেড়িয়ায় একটি টেরাকোটার কারুকার্যখচিত বিষ্ণু মন্দির নির্মাণ করান, যেটি অনন্ত বাসুদেব মন্দির নামে পরিচিত। রাজা নৃসিংহদেব ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দে অনন্ত বাসুদেব মন্দিরের পূর্ব দিকে হংসেশ্বরী কালীমন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর ১৮১৪ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর বিধবা পত্নী রাণী শঙ্করী মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন করেন।

Bha darun
ভালো ছবি।
ছবি টা তে গল্প আছে।
darun chhobi, Sandip!